হোম স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের আগে হাঁটুতে-হাঁটুতে মিলে কি না দেখা হয় কেন?

সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের আগে হাঁটুতে-হাঁটুতে মিলে কি না দেখা হয় কেন?

কর্তৃক স্টাফ রিপোর্টার
5 ভিউস

দুই হাঁটু একসঙ্গে করার পর যদি দুই গোড়ালির মধ্যে ব্যবধান তিন ইঞ্চি বা এর থেকেও বেশি হয়ে থাকে তাহলে বেশ সমস্যারই বটে। হাঁটুতে হাটু লেগে থাকা কন্ডিশনকে বলা হয় নক-নিজ বা জেনু ভ্যালগাম।

যখন কোনো শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ক একসঙ্গে হাঁটুতে হাটু লাগিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ায়, তার পা এবং গোড়ালি পৃথক থাকলে, সেই অবস্থাটা হলো নক-নিজ।

সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিষয়টিকে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয় অর্থাৎ সমস্যাটি থাকলে একেবারে প্রাথমিক দিকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু কেন?

সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে শরীরের ওপর ব্যাপক ধকল যাওয়ার কথা। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিদিনই কয়েক মাইল দৌড় দিতে হয়। হাঁটুতে উল্লিখিত সমস্যা নিয়ে দৌড় দেওয়াটা বেশ ঝামেলার। হাঁটুতে হাঁটু বেঁধে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। পড়ে না গেলেও কাঠামোগত সমস্যার জন্য হাঁটুতে আঘাত পাওয়া বেশ স্বাভাবিক।

এখান থেকে বড় ধরনের সমস্যাও তৈরি হয়ে যেতে পারে পায়ে। এই যেমন- বাত, হাঁটুর লিগামেন্টে সমস্যা, হাঁটুতে থাকা তরুণাস্থিতে সমস্যা ইত্যাদি।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, ‘নক-নিজ’ নামক সমস্যা নিয়ে প্রশিক্ষণের সময়ের ধকল হাঁটু সামলাতে পারবে না। তাই সমস্যাটি থাকলে একেবারে প্রাথমিক দিকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।

সাধারণত উরু হাড়ের সঙ্গে শিন হাড়ের কোণটি পরিমাপ করে বা গোড়ালিগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব পরিমাপ করে নক-নিজ মূল্যায়ন করা হয়। কখনো কখনো এই অ্যাঙ্গেল গণনা করার জন্য ছবি বা এক্স-রে নেওয়া হতে পারে।

বাচ্চাদের মধ্যে নক হাঁটু একটি সাধারণ অবস্থা এবং অনেক বাচ্চা বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই অবস্থা ঠিক হয়ে যায়। দুই বা তিন বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত প্রায়শই এমন হয়। একে শারীরবৃত্তীয় নক-নি বলা হয়। সাধারণভাবে, শিশুটি সাত বা আট বছর বয়সে পৌঁছানোর পর পা সোজা হয়ে আসে।

তবে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে নক-নিজ অনেক কম হয়, হলে সেটা প্যাথলজিক্যাল নক-নিজ। সুতরাং প্যাথলজিকাল নক হাঁটু অন্তর্নিহিত ব্যাধির একটি প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

০ মন্তব্য
0

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন