রাইড শেয়ারিং বন্ধের ঘোষণায় চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

গণপরিবহনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখা অন্যদিকে হুট করে রাইড শেয়ারিং সার্ভিস বন্ধের ঘোষণায় ভোগান্তির মাত্রা ছাড়িয়েছে নগরবাসীর

করোনা সংক্রমণ রোধে গণপরিবহনে যাত্রীসেবার নতুন নিয়মের দ্বিতীয় দিনেও বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাসের অপেক্ষায় সড়কে দাঁড়িয়ে থেকেছেন সাধারণ মানুষ। আবার বাসে আসন পেলেও অভিযোগ ছিল অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের। তবে, পর্যাপ্ত গণপরিবহন নিশ্চিত না করে সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সাধারণ মানুষ।

রাজধানীর গুলিস্তান থেকে বনানী যাওয়ার পথে বাংলামোটরে যাত্রী নামিয়ে দেয় পুলিশ। ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান রাইড শেয়ারিং পেশায় জড়িত মুস্তাকিম নামে এক ব্যক্তি।

করোনার সংক্রমণ রোধে বিআরটিএর রাইড শেয়ারিং সার্ভিস বন্ধের ঘোষণায় বাইক নিয়ে বিপাকে পড়েন চালকরা। সড়কের মোড়ে মোড়ে মোটরসাইকেল নিয়ে একপ্রকার লুকিয়ে যাত্রী বহনের চেষ্টা করতে দেখা গেছে অনেককে। অনেকে যাত্রী বহন করে পড়েছেন মামলার মুখে।

করোনার প্রথম ঢেউয়ের ধাক্কায় চাকরি হারিয়ে অনেকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন বাইক শেয়ারিং। এমনই একজন রাজধানীর মধ্যবাড্ডার বাসিন্দা রুবেল। হঠাৎ করে সার্ভিস বন্ধের ঘোষণার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তার মতো আরো অনেকের আয় রোজগারের পথ।

এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাইক চালু রাখার পক্ষে মত দেন চালক ও যাত্রীরা।

এদিকে, গণপরিবহনে যাত্রী সেবার দ্বিতীয় দিনেও সরকারি পরিবহন পুল বিআরটিসিতে দেখা গেছে অতিরিক্ত যাত্রী। তবে অধিকাংশ রুটের বাসে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করায় যাত্রীরা পড়েন বিপাকে। পাশাপাশি ছিল অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ।

দেশে করোনা সংক্রমণের প্রথমপর্যায়ে গতবছরের ১ জুন গণপরিবহনের অর্ধেক আসন ফাঁকা ও ষাট শতাংশ ভাড়া বাড়ায় সরকার।

 

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here