হোম বাণিজ্য সংবাদ ক্রিপ্টোকারেন্সির বদৌলতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী চ্যাংপেং ঝাও

ক্রিপ্টোকারেন্সির বদৌলতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী চ্যাংপেং ঝাও

কর্তৃক স্টাফ রিপোর্টার
4 ভিউস

আবুধাবির গ্রাঁ প্রিতে প্রতিবছর চলচ্চিত্র তারকা, ক্রীড়াবিদসহ নামকরা মানুষদের নিয়ে শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ৩০ মিনিট দূরে ইয়াস দ্বীপে পার্টি করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

গত মাসে আমন্ত্রিত এই গণ্যমান্য ব্যক্তিদের তালিকায় নাম ছিল ম্যাকডোনাল্ডের এক সাবেক কর্মীর। এ কথা শুনে অনেকেরই চোখ কপালে উঠতে পারে। তবে তিনি বার্গার প্রস্তুতকারক হিসেবে এই আমন্ত্রণ পাননি। তিনি একজন সফটওয়্যার ডেভেলপারও বটে। রাতারাতি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন তিনি। এর জেরেই খ্যাতনামাদের তালিকায় নাম উঠেছে তাঁর। তিনি বিনান্স এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।

ক্রিপ্টোকারেন্সির দুনিয়ায় অন্যতম অগ্রপথিক হিসেবে বিবেচিতর মানুষটির নাম চ্যাংপেং ঝাও৷ ক্রিপ্টোর বদৌলতে আজ তাঁর এই রমরমা অবস্থা। এই মুহূর্তে চ্যাংপেং ঝাও–এর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানির চেয়েও বেশি।

ক্রিপ্টো নিয়ে চর্চা করা মানুষদের কাছে চ্যাংপেং ঝাও ‘সিজেড’ নামে পরিচিত। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন এই সিজেড। আবুধাবিতে যেসব ধনী ব্যক্তি বিনান্স এক্সচেঞ্জ দেশে আনতে আগ্রহী, তাঁদের পরামর্শ দেন তিনি। নিজের কদর বোঝাতে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বহুতল ভবন বুর্জ খলিফার কাছে বাড়ি বানিয়েছেন তিনি।

ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স অনুসারে, তাঁর মোট সম্পদ ৯ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানিকে টপকানোর পাশাপাশি মার্ক জাকারবার্গ, গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ, সের্গেই ব্রিনসহ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রযুক্তিবিদদের ঘাড়েও নিশ্বাস ফেলছেন চ্যাংপেং।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই চীনা-কানাডীয় ব্যক্তির শীর্ষ ধনীর কাতারে উঠে আসার অর্থ হলো, ডিজিটাল মুদ্রার জগৎ খুব দ্রুত বড় হচ্ছে। মানুষ এ ব্যাপারে আগ্রহী হচ্ছে। ক্রিপ্টোকারেন্সির জনপ্রিয়তার কারণে অনেক দেশ এটিকে অনুমোদন দিয়েছে। তবে সিংহভাগ দেশে এখনো ক্রিপ্টোকারেন্সি অবৈধ। আবার অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেরাই ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে।

০ মন্তব্য
0

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন