হোম বাংলাদেশ মুন্সিগঞ্জে বিস্ফোরণে দগ্ধ ভাই-বোনের মৃত্যু, আইসিইউতে বাবা-মা

মুন্সিগঞ্জে বিস্ফোরণে দগ্ধ ভাই-বোনের মৃত্যু, আইসিইউতে বাবা-মা

কর্তৃক স্টাফ রিপোর্টার
36 ভিউস

মুন্সিগঞ্জের চরমুক্তারপুরে আবাসিক ভবনে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন ইয়াছিন (৫) ও নোহর (৩) নামে দুই শিশু মারা গেছে। সম্পর্কে তারা আপন ভাই-বোন।

রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে ওই ‍দুই শিশুর বাবা কাউছার ও মা শান্তাও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব খান ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড ইনস্টিটিউট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি (তদন্ত) রাজিব খান বলেন, ‘দগ্ধ দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকায় ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। শিশুর বাবা কাউছার ও মা শান্তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাদের আইসিইউতে রাখা হয়েছে।’

বিস্ফোরণের বিষয়ে রাজিব খান বলেন, ‌‘ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকেজের কারণে বিস্ফোরণ হতে পারে। ঘটনার তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানানো যাবে।’

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন বলেন, সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইয়াছিন মারা যায়। তার শরীরের ৪৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তার বোন নোহর মারা যায় রাত সোয়া ৯টার দিকে। তার শরীরের ৩২ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

মুন্সিগঞ্জে চারতলা ভবনের একটি ফ্ল্যাটে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের চারজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ভোরে সদর উপজেলার চরমুক্তারপর এলাকার জয়নাল আবেদীনের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে।

তিনি বলেন, ‘তার বাবা কাওছার ও মা শান্তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। কাওছারের শরীরের ৫৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। আর শান্তার শরীরের ৪৮ শতাংশ দগ্ধ। তাদের দুজনের অবস্থায় আশঙ্কাজনক।’

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ভোর ৪টার দিকে চরমুক্তারপুর এলাকার স্থানীয় জয়নাল আবেদিনের চারতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটে। এতে অগ্নিদগ্ধ বাড়ির ভাড়াটিয়া কাওছার (৩৬), তার স্ত্রী শান্তা (২৩) এবং তাদের দুই শিশু ইয়াছিন (৫), নোহর (৩) আহত হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চর মুক্তারপুরের একটি ভবনে বিস্ফোরণ থেকে আগুনে দগ্ধ ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব খান ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড ইনস্টিটিউট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়।

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়। মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব খান ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড ইনস্টিটিউট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এ দিকে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে ওই দুই শিশুর বাবা কাউছার ও মা শান্তাও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট সূত্র থেকে জানা যায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইয়াছিন মারা যায়। তার শরীরের ৪৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তার বোন নোহর মারা যায় রাত সোয়া ৯টার দিকে। তার শরীরের ৩২ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তিনি বলেন, ‘তার বাবা কাউছার ও মা শান্তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। কাউছারের শরীরের ৫৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। আর শান্তার শরীরের ৪৮ শতাংশ দগ্ধ। তাদের দু’জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।’
গত বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে চরমুক্তারপুর এলাকার স্থানীয় জয়নাল আবেদিনের চারতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। এতে ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া কাউছার (৩৬), তার স্ত্রী শান্তা (২৩) এবং তাদের দুই শিশু ইয়াছিন ও নোহর আহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে হঠাৎ বিকট শব্দে বাড়ির দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘরের থাই গ্লাসের জানালা ভেঙে যায়। ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যায়। এ সময় দুই শিশুসন্তান নিয়ে কাউছার-শান্তা দম্পতি ঘুমিয়ে ছিলেন।
ওসি (তদন্ত) রাজিব খান বলেন, ‘দগ্ধ দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকায় ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে। শিশুর বাবা কাউছার ও মা শান্তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাদের আইসিইউতে রাখা হয়েছে।’
বিস্ফোরণের বিষয়ে রাজিব খান বলেন, ‘গ্যাস লিকেজের কারণে বিস্ফোরণ হতে পারে। ঘটনার তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানানো যাবে।’

নিহতরা হলেন, ইয়াছিন (৫) ও নোহর (৩)। সম্পর্কে তারা আপন ভাই-বোন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ভোর ৪টার দিকে চরমুক্তারপুর এলাকার স্থানীয় জয়নাল আবেদিনের চারতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটে। এতে অগ্নিদগ্ধ বাড়ির ভাড়াটিয়া কাওছার (৩৬), তার স্ত্রী শান্তা (২৩) এবং তাদের দুই শিশু ইয়াছিন (৫), নোহর (৩) আহত হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইয়াছিন মারা যায়। তার শরীরের ৪৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তার বোন নোহর মারা যায় রাত সোয়া ৯টার দিকে। তার শরীরের ৩২ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

তিনি আরও বলেন, তার বাবা কাওছার ও মা শান্তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। কাওছারের শরীরের ৫৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। আর শান্তার শরীরের ৪৮ শতাংশ দগ্ধ। তাদের দুজনের অবস্থায় আশঙ্কাজনক।’

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) রাজিব খান বলেন, দগ্ধ দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকায় ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। শিশুর বাবা কাউছার ও মা শান্তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাদের আইসিইউতে রাখা হয়েছে।

 

আহতরা হলেন- কাওসার (৩৬), শান্তা (২৩) এবং তাদের দুই শিশু ইয়াসিন (৫) ও নোহর(৩)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভোরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘরের থাই গ্লাসের জানালা ভেঙে ও বিভিন্ন আসবাবপত্র পুড়ে যায়। এসময় ঘরে থাকা গৃহকর্তা কাওসার ও তার স্ত্রী শান্তাসহ দুই শিশু ইয়াসিন ও নোহর অগ্নিদগ্ধ হন। বিস্ফোরণের পর প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে পাঠানো হয়।

 

গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ভোরে হঠাৎ বিকট শব্দে বাড়ির দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘরের থাই গ্লাসের জানালা ভেঙে যায়। ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যায়। এসময় ঘুমিয়ে ছিলেন দুই শিশু সন্তান নিয়ে কাওছার-শান্তা দম্পতি ঘুমিয়ে ছিলেন।

০ মন্তব্য
0

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন