‘বিমানের সাবেক ১৭ সিবিএ নেতার দুর্নীতির তদন্ত কেন নয়’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে ২০১৪ সালে সিবিএ নেতা ছিলেন এমন ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ কেন তদন্ত করতে দুদককে নির্দেশ দেওয়া হবে না- এ প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুদকার ও বিচারপতি এসএম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ রুল জারি করেন।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক আবেদনে এ আদেশ দেন আদালত। আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফৌজিয়া আক্তার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

যেসব সিবিএ নেতার বিষয়ে আদালত রুল জারি করেছেন, তারা হলেন- মো. মসিকুর রহমান (সভাপতি), আজাহারুল ইমাম মজুমদার, আনোয়ার হোসেন, মো. ইউনুস খান, মো. মনতাসার রহমান (সাধারণ সম্পাদক), মো. রুবেল  চৌধুরী, মো. রফিকুল আলম, মো. আতিকুর রহমান, মো. হারুনর রশিদ, আবদুল বারি, মো. ফিরোজুল ইসলাম, আসমা খানম, আবুল কালাম, মো. আবদুস সোবহান, গোলাম কায়সার আহমেদ, মো. আবদুল জব্বার এবং মো. আবদুল আজিজ।

এরা ২০১৪ সালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সিবিএ (বিমান শ্রমিক লীগ) নেতা ছিলেন। তাদের দুদকে হাজির হতে ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি নোটিশ দেয় দুদক। ওইসব নেতা দুদকে হাজির হতে অস্বীকার করেন। কিন্তু দুদক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় এ নিয়ে ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এরপর এ প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এইচআরপিবি হাইকোর্টে রিট আবেদন করে। এ রিট আবেদনে ওই বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুলে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়। এ রুল বিচারাধীন। এরই ধারাবাহিকতায় রিট আবেদনকারীর পক্ষে করা এক সম্পূরক আবেদনে নতুন রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here