হোম জাতীয় রেমিটেন্সে প্রদত্ত নগদ সহায়তা আড়াই শতাংশ করলো সরকার

রেমিটেন্সে প্রদত্ত নগদ সহায়তা আড়াই শতাংশ করলো সরকার

কর্তৃক স্টাফ রিপোর্টার
11 ভিউস

রেমিটেন্স প্রেরণের বিপরীতে প্রদত্ত প্রণোদনা বা নগদ সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে সরকার। বিদ্যমান নগদ সহায়তা ২ শতাংশ থেকে

বৃদ্ধি করে আড়াই শতাংশ করা হয়েছে এবং একইসাথে আজ থেকে সেটি কার্যকর করা হয়েছে ।
শনিবার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, রেমিটেন্সে প্রদত্ত সরকারি প্রণাদনার পরিমাণ

বৃদ্ধি, প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নববর্ষের উপহার।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিদেশে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষের কষ্টার্জিত প্রবাসী আয় বৈধ উপায়ে দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে উৎসাহ

প্রদানে সরকার নগদ সহায়তা আড়াই শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশবাসীর জীবনমানের উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ ও কর্মসংস্থান তৈরির গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার মূলত এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সরকার ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিটেন্স প্রেরণের বিপরীতে ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা প্রদান শুরু করে। এর ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিটেন্স আহরণ দ্রুত বেড়ে যায়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আসে,

যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। এছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছওে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও ২৪ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স পাঠায় প্রবাসীরা, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেশি।

 

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জনমানুষের সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্সের গুরুত্ব বিবেচনায় বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবী মানুষের কষ্টার্জিত বৈদেশিক আয় বৈধ উপায়ে দেশে প্রত্যাবাসন উৎসাহিত করার লক্ষ্যে রেমিটেন্স প্রেরণের

 

 

বিপরীতে সরকার কর্তৃক ২ শতাংশ প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রদানের বিদ্যমান হার বাড়িয়ে ২.৫%-এ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বর্ধিত এ হার চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।’

এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বৈধ পথে অর্থ পাঠানো উৎসাহিত করতে রেমিটেন্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা ঘোষণা করে সরকার।

 

রেমিটেন্স প্রেরণের বিপরীতে প্রদত্ত প্রণোদনা বা নগদ সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে সরকার। বিদ্যমান নগদ সহায়তা ২ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে আড়াই শতাংশ করা হয়েছে এবং একই সাথে শনিবার থেকে সেটি কার্যকর করা হয়েছে। বাসস

[৩] শনিবার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, রেমিটেন্সে প্রদত্ত সরকারি প্রণাদনার পরিমাণ বৃদ্ধি, প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নববর্ষের উপহার।

[৪] সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিদেশে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষের কষ্টার্জিত প্রবাসী আয় বৈধ উপায়ে দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদানে সরকার নগদ সহায়তা আড়াই শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশবাসীর জীবনমানের উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ ও কর্মসংস্থান তৈরির গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার মূলত এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। দেশ রূপান্তর

 

 

[৫] অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সরকার ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিটেন্স প্রেরণের বিপরীতে ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা প্রদান শুরু করে। এর ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিটেন্স আহরণ দ্রুত বেড়ে যায়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আসে,

 

 

যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। এছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও ২৪ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স পাঠায় প্রবাসীরা, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

 

রেমিট্যান্সে সরকারি প্রণোদনার পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়ে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নববর্ষের উপহার বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এতে বলা হয়, জনমানুষের সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং

 

 

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের গুরুত্ব বিবেচনায় বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবী মানুষের কষ্টার্জিত বৈদেশিক আয় বৈধ উপায়ে দেশে প্রত্যাবাসন উৎসাহিত করার লক্ষ্যে রেমিট্যান্স পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ জন্য

 

সরকার ২ শতাংশ প্রণোদনা/নগদ সহায়তা দেয়ার বিদ্যমান হার বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্ধিত এ হার চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

 

সরকার ২০১৯-২০ অর্থবছরে পাঠানো রেমিট্যান্সের বিপরীতে প্রথমবারের মতো ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা/নগদ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয়। সরকারের এ নীতিসহায়তার কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর পরিমাণ বেড়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন

 

 

মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আহরিত হয়েছে, যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের আহরিত রেমিট্যান্সের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। এছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আহরণের পরিমাণ ছিল ২৪ দশমিক ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের আহরিত রেমিট্যান্সের তুলনায় প্রায় ৩৬ শতাংশ বেশি।

 

বিদেশ হতে প্রেরিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের রেমিট‌্যান্সের ক্ষেত্রে রেমিট‌্যান্স আহরণকারী ব্যাংক প্রযোজ্য বিনিময়হারে টাকায় রূপান্তরিত অর্থ প্রচলিত বিধিবিধান পরিপালন করে উপকারভোগীর হিসাবে জমা/উপকারভোগীকে প্রদানের সময় উক্ত অর্থের উপর ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা প্রদান করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় পরিচালিত বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউজ/ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে হবে।

একজন প্রবাসীর রেমিট‌্যান্সের ওপর প্রতিবারে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ ডলার/সমমূল্যের অর্থের জন্য কোন প্রকার কাগজপত্র ছাড়াই প্রণোদনা সুবিধা পাওয়া যাবে।

১৫০০ ডলারের বেশি লেনদেনে প্রাপককে রেমিট‌্যান্স প্রেরকের বৈধ কাগজপত্র (যেমন-পাসপোর্টের কপি এবং বিদেশি নিয়োগদাতা কর্তৃক প্রদত্ত নিয়োগপত্রের কপি/বিএমইটি প্রদত্ত সনদপত্রের কপি, ব্যবসায় নিয়োজিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবসার লাইসেন্সের কপি ইত্যাদি) রেমিট‌্যান্স প্রদানকারী ব্যাংক শাখায় দাখিল সাপেক্ষে নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে।

বিধিবহির্ভূতভাবে নগদ সহায়তা গ্রহণের প্রমাণ পাওয়া গেলে পরবর্তীতে তারা এ সুবিধা প্রাপ্য হবে না এবং প্রদত্ত অর্থ তার কাছ থেকে আদায় করা হবে।

বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছরের প্রবাসী আয় আহরণের গড় মাসিক অংকের ভিত্তিতে তিন মাসের জন্য প্রয়োজনীয় নগদ সহায়তার অনুমিত পরিমাণের তহবিল সরকারি বরাদ্দ হতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইমপ্রেস্ট আগাম আকারে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অনুকূলে হস্তান্তর করবে।

নগদ সহায়তার অর্থ যেভাবে বিতরণ হয়:

রেমিটেন্স আহরণকারী ব্যাংক নগদ সহায়তা প্রদানের জন্য একটি পৃথক টাকা হিসাব পরিচালনা করবে।

প্রাপকের হিসাব রেমিটেন্স আহরণকারী ব্যাংক ভিন্ন অন্য কোন ব্যাংকে হলে রেমিটেন্স আহরণকারী ব্যাংক ২ শতাংশ নগদ সহায়তাসহ বিইএফটিএন, আরটিজিএস, এনপিএসবি বা এমএফএস এর মাধ্যমে প্রাপকের হিসাবে জমা করবে।

বেনিফিশিয়ারির মোবাইল ফোনে তার অনুকূলে রেমিটেন্সের টাকা জমা হওয়ার মেসেজ/লেনদেনের রশিদ প্রদান করবে। উক্ত মেসেজে/লেনদেনের রশিদে সরকার প্রদত্ত নগদ সহায়তার পরিমাণ পৃথকভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।

শর্ত মোতাবেক প্রাপক রেমিটেন্স গ্রহণের দিন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল না করলে পরবর্তী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তা উপস্থাপন করলে রেমিটেন্স প্রদানকারী ব্যাংক তাকে প্রাপ্য নগদ সহায়তা প্রদান করবে। আগের নীতিমালায় এটি পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে জমা দেয়ার নিয়ম ছিল। এটি বর্তমানে আরো সহজ করা হলো।

০ মন্তব্য
0

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন