হোম জাতীয় রামপুরায় বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৪

রামপুরায় বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৪

কর্তৃক স্টাফ রিপোর্টার
13 ভিউস

রাজধানীর রামপুরায় অনাবিল বাসের চাপায় শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন নিহতের পর বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর হয়। এ ঘটনায় মনির হোসেনসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড আ্যকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে জাগো নিউজকে বিষয়টি জানিয়েছেন র‌্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান।

তিনি বলেন, গত ২৯ নভেম্বর রাত ১১টার পরে রামপুরা বাজারের কাছে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন নিহত হয়। এ ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজিত জনতা কয়েকটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায়। বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল এবং ঘটনার মূলহোতা মনির হোসেন। তাকে ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর রামপুরা ও কুমিল্লা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

গত ২৯ নভেম্বর রাতে মাঈনুদ্দিনের মৃত্যুর পর ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বাসে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে। সে সময় অন্তত আটটি বাস পুড়ে যায়।

এ বিষয়ে বিকেলে কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

তিনি বলেন, রাজধানীর রামপুরায় বাস চাপায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনার অন্যতম হোতা মনির হোসেন ও তার ৩ সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। কুমিল্লা ও রাজধানীর রামপুরা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বাকি তিন জনের পরিচয় এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২৯ নভেম্বর রাত পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় গ্রিন অনাবিল পরিবহনের বাসের চাপায় মাইনুদ্দিন নিহত হয়। এ ঘটনায় রাতে সড়ক অবরোধ করে উত্তেজিত জনতা। এ সময় ঘাতক বাসসহ ৮-১০ বাসে আগুন দেওয়া হয় এবং ভাঙচুর করা হয়। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশ নিজে বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানা একটি ও রামপুরা থানায় একটি মামলা করে।

রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বিক্ষুব্ধরা আটটি বাসে আগুন দিয়েছেন।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) রাত ১১টার পর এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধরা। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজিত জনতা কয়েকটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায়। বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল এবং ঘটনার অন্যতম হোতা মনির হোসেন। তাকে ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর রামপুরা ও কুমিল্লা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান র‌্যাবের এ কর্মকর্তা।

গত ২৯ নভেম্বর রাতে মাঈনুদ্দিনের মৃত্যুর পর ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বাসে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে। সে সময় অন্তত আটটি বাস পুড়ে যায়।

এ বিষয়ে বিকেলে কারওয়ানবাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, সোমবার রাত ১১টার পর রামপুরা বাজারের কাছে বাসচাপায় একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা সড়ক অবরোধ করে বাসে আগুন দিয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদর দপ্তরের কন্ট্রোল রুমের অপারেটর জিয়াউর রহমান বলেন, বাসচাপায় ছাত্র নিহতের এ ঘটনায় অন্তত সাত থেকে আটটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

 

০ মন্তব্য
0

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন