হোম আবহাওয়া তেঁতুলিয়ায়

তেঁতুলিয়ায়

কর্তৃক স্টাফ রিপোর্টার
6 ভিউস

দেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত। মৃদু শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন। ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আজ বুধবার সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৯টার পর হালকা রোদের দেখা মিললেও ঠান্ডা বাতাসের দাপটে তা তীব্রতা ছড়াতে পারেনি।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বিরাজ করলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। হিমালয়ের কাছাকাছি পঞ্চগড়ের অবস্থান হওয়ায় সেখান থেকে আসা বাতাসে এখানে শীতের প্রকোপ বেশি।
দেশের সর্বোত্তরের এই জনপদে পাঁচ দিন ধরে বইছে হিমেল বাতাস। রাতভর বৃষ্টির মতো ঝরতে থাকা কুয়াশা থাকছে সকাল পর্যন্ত। মেঘলা আকাশ আর ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে সূর্য। প্রতিদিন সকাল ১০টার পর রোদের দেখা মিললেও দিনভর ঠান্ডা বাতাসের দাপটে সূর্য তীব্রতা ছড়াতে পারছে না।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ প্রথম আলোকে বলেন, দুই দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে। এই এলাকায় বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে আকাশের উপরিভাগ ঘন কুয়াশা আর জলীয় বাষ্পে ঢাকা থাকায় সূর্যের আলো দেরিতে ভূপৃষ্ঠ পৌঁছাচ্ছে। এতে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে।

পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন মো. ফজলুর রহমান বলেন, প্রতিবছর শীতের এই সময় শীতজনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। তীব্র শীতের এই সময়ে শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বেশি যত্নশীল হতে হবে। এ সময় বাসি বা পচা খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। সেই সঙ্গে শিশু ও বৃদ্ধদের পর্যাপ্ত শীতের কাপড় পরাতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়াই ভালো।

০ মন্তব্য
0

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন