হোম আন্তর্জাতিক বিশ্ববাজারে আরও কমলো তেল-গ্যাসের দাম

বিশ্ববাজারে আরও কমলো তেল-গ্যাসের দাম

কর্তৃক স্টাফ রিপোর্টার
26 ভিউস

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের আতঙ্ক ভালোই প্রভাব ফেলছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। এর কারণে ভ্রমণে কড়াকড়িসহ নানা বিধিনিষেধ ফিরিয়ে এনেছে বহু দেশ। ফলে জ্বালানি তেলের চাহিদায় আবারও ধস নামার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তার জেরে কমতে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। ওমিক্রন আতঙ্কে গত শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০ মার্কিন ডলার। সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে মঙ্গলবারও (৩০ নভেম্বর)।

অয়েল প্রাইস ডটকমের তথ্যমতে, মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্টের দাম কমেছে অন্তত ৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এদিন বিকেলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৭৫ ডলার কমে প্রতি ব্যারেল বিক্রি হয়েছে ৭০ দশমিক ৬৯ ডলারে।

প্রায় একই পরিমাণে কমেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই তেলের দামও। মঙ্গলবার এর দাম ৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ, অর্থাৎ ২ দশমিক ৪৩ ডলার কমে প্রতি ব্যারেল বিক্রি হয়েছে ৬৭ দশমিক ৫২ ডলারে। এছাড়া হিটিং অয়েলের দাম কমেছে অন্তত ২ দশমিক ৬৫ ডলার বা ০.০৫৭ ডলার।

মঙ্গলবার প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও কমেছে। অয়েল প্রাইস ডটকমের তথ্যমতে, এদিন বিশ্ববাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ, অর্থাৎ ০.২০১ ডলার কমে গেছে।

সিএনএন জানিয়েছে, ওমিক্রন আতঙ্কের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারেও। মঙ্গলবার এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা- প্রায় সবখানেই সূচক ছিল নিম্নমুখী।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের আতঙ্ক ভালোই প্রভাব ফেলছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। এর কারণে ভ্রমণে কড়াকড়িসহ নানা বিধিনিষেধ ফিরিয়ে এনেছে বহু দেশ। ফলে জ্বালানি তেলের চাহিদায় আবারও ধস নামার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আর তার জেরে কমতে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। ওমিক্রন আতঙ্কে গত শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০ মার্কিন ডলার। সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে মঙ্গলবারও (৩০ নভেম্বর)।

অয়েল প্রাইস ডটকমের তথ্যমতে, মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্টের দাম কমেছে অন্তত ৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এদিন বিকেলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৭৫ ডলার কমে প্রতি ব্যারেল বিক্রি হয়েছে ৭০ দশমিক ৬৯ ডলারে।

প্রায় একই পরিমাণে কমেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই তেলের দামও। মঙ্গলবার এর দাম ৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ, অর্থাৎ ২ দশমিক ৪৩ ডলার কমে প্রতি ব্যারেল বিক্রি হয়েছে ৬৭ দশমিক ৫২ ডলারে। এছাড়া হিটিং অয়েলের দাম কমেছে অন্তত ২ দশমিক ৬৫ ডলার বা ০.০৫৭ ডলার।

মঙ্গলবার প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও কমেছে। অয়েল প্রাইস ডটকমের তথ্যমতে, এদিন বিশ্ববাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ, অর্থাৎ ০.২০১ ডলার কমে গেছে।

দেশে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়লেও আন্তর্জাতিক বাজারে দফায় দফায় দাম কমছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিশোধিত তেল এবং ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম কমেছে প্রায় ১ শতাংশ, হিটিং অয়েল ২ শতাংশ এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় সাড়ে ১৩ শতাংশ কমেছে।

করোনার কারণে গত বছরের ২০ এপ্রিল বিশ্ববাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতনের মধ্যে পড়ে জ্বালানি তেলের দাম। প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ঋণাত্মক ৩৭ ডলারের নিচে নামে। রেকর্ড এই দরপতনের পরই অবশ্যই তেলের দাম বাড়তে থাকে। এতে রেকর্ড দরপতনের ধকল সামলে গত বছরের বেশিরভাগ সময় প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৪০ ডলারের আশপাশে ঘুরপাক খাচ্ছিল।

 

গত বছরের নভেম্বরে দিকে আবার তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। অবশ্য প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৫০ ডলারের নিচে নামে। করোনা সংক্রমণ কমায় চলতি বছরের শুরুতে তেলের দামে ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৮৪ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এর মাধ্যমে সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে উঠে আসে তেলের দাম।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ার অজুহাতে দেশের বাজারে দাম বাড়িয়ে দেয় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

তবে গেল এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার প্রবণতা দেখা গেলো। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম দশমিক ৯০ ডলার কমে ৮০ দশমিক ৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে দশমিক ৭৩ শতাংশ। তবে মাসের ব্যবধানে অপরিশোধিত তেলের দাম এখনো দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি। আর বছরের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এখন ৬৬ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি।

অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামও গত সপ্তাহ কিছুটা কমেছে। গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দশমিক ৭৩ ডলার কমে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম দাঁড়িয়েছে ৮২ দশমিক ১৪ ডলার। এতে গত এক সপ্তাহে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম কমেছে দশমিক ৭৩ শতাংশ। আর মাসের ব্যবধানে কমেছে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ। তবে বছরের ব্যবধানে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম এখনো ৫৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেশি।

অপরদিকে গত এক সপ্তাহে ২ দশমিক ১১ শতাংশ কমে প্রতি গ্যালন হিটিং অয়েলের দাম ২ দশমিক ৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে মাসের ব্যবধানে হিটিং অয়েলের দাম কমেছে ৪ দশমকি ৬৬ শতাংশ। তবে বছরের ব্যবধানে হিটিং অয়েলের দাম এখনো ৬১ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেশি।

এদিকে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি গেল এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও কমেছে। গত এক সপ্তাহে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম কমেছে ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এতে মাসের ব্যবধানে প্রকৃতিক গ্যাসের দাম কমেছে ১৪ দশমিক ৬০ শতাংশ। তবে এরপরও বছরের ব্যবধানে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম এখনো ৮৮ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বেশি।

সিএনএন জানিয়েছে, ওমিক্রন আতঙ্কের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারেও। মঙ্গলবার এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা- প্রায় সবখানেই সূচক ছিল নিম্নমুখী।

শেয়ারের দর হারানোয় সবার ওপরে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি। মঙ্গলবার এর সূচক পড়ে গেছে অন্তত ২ দশমিক ৪ শতাংশ। জাপানের নিক্কেই ২২৫’র সূচক নেমেছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ, একই অবস্থা হংকংয়ের হ্যাং সেং ইনডেক্সেরও। তবে সাংহাই কম্পোজিটের অবস্থা স্থিতিশীল দেখা গেছে।

গত সপ্তাহে ওমিক্রনের ধাক্কায় শেয়ারবাজারে বড় পতনের পর সোমবার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল মার্কিন শেয়ারবাজার। তবে মঙ্গলবার আবারও নিম্নমুখী ধারায় ফিরেছে তারা। এদিন ডো জোনসের সূচক কমেছে ১ শতাংশ, এসঅ্যান্ডপি ৫০০’র সূচক কমেছে ০.৮ শতাংশ আর নাসদাকের সূচক কমেছে অন্তত ০.৪ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ওমিক্রনের কারণে যদি করোনা মহামারি আরও দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে বিশ্বজুড়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, চাকরি বাজারে অস্থিরতা ও সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট আরও খারাপ অবস্থায় চলে যেতে পারে।

শেয়ারের দর হারানোয় সবার ওপর রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি। মঙ্গলবার এর সূচক পড়ে গেছে অন্তত ২ দশমিক ৪ শতাংশ। জাপানের নিক্কেই ২২৫’র সূচক নেমেছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ, একই অবস্থা হংকংয়ের হ্যাং সেং ইনডেক্সেরও। তবে সাংহাই কম্পোজিটের অবস্থা স্থিতিশীল দেখা গেছে।

গত সপ্তাহে ওমিক্রনের ধাক্কায় শেয়ারবাজারে বড় পতনের পর সোমবার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল মার্কিন শেয়ারবাজার। তবে মঙ্গলবার আবারও নিম্নমুখী ধারায় ফিরেছে তারা। এদিন ডো জোনসের সূচক কমেছে ১ শতাংশ, এসঅ্যান্ডপি ৫০০’র সূচক কমেছে ০.৮ শতাংশ আর নাসদাকের সূচক কমেছে অন্তত ০.৪ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ওমিক্রনের কারণে যদি করোনা মহামারি আরও দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে বিশ্বজুড়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, চাকরি বাজারে অস্থিরতা ও সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট আরও খারাপ অবস্থায় চলে যেতে পারে।

০ মন্তব্য
0

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন