হোম আন্তর্জাতিক অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে প্রতি তিনজন নারী কর্মীর একজন যৌন হয়রানির শিকার : বলছে এক রিপোর্ট

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে প্রতি তিনজন নারী কর্মীর একজন যৌন হয়রানির শিকার : বলছে এক রিপোর্ট

কর্তৃক স্টাফ রিপোর্টার
31 ভিউস

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পার্লামেন্টে কর্মচারীদের এক-তৃতীয়াংশই কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন – বলা হচ্ছে এক রিপোর্টে।

এ বছরের প্রথম দিকে একজন মন্ত্রীর দফতরের সাবেক কর্মচারী ব্রিটানি হিগিন্স অভিযোগ করেছিলেন যে তারই একজন সহকর্মী তাকে ধর্ষণ করেছেন। ওই ঘটনার পর রাজধানী ক্যানবেরায় এ ধরনের বহু অসদাচরণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতে থাকে।

এ প্রেক্ষাপটেই এক অনুসন্ধানের পর “সেট দ্য স্ট্যান্ডার্ড” নামের রিপোর্টটি উপস্থাপন করা হলো। এর রচয়িতা এবং যৌন বৈষম্য সংক্রান্ত কমিশনার কেট জেংকিন্স বলছেন, এসব ঘটনার শিকারদের মধ্যে নারীর সংখ্যা বিসদৃশরকমের বেশি।

এ প্রেক্ষাপটেই এক অনুসন্ধানের পর “সেট দ্য স্ট্যান্ডার্ড” নামের রিপোর্টটি উপস্থাপন করা হলো। এর রচয়িতা এবং যৌন বৈষম্য সংক্রান্ত কমিশনার কেট জেংকিন্স বলছেন, এসব ঘটনার শিকারদের মধ্যে নারীর সংখ্যা বিসদৃশরকমের বেশি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, কর্মচারীদের ৫১ শতাংশেরই কোন না কোন ধরনের নিগ্রহ, যৌন হয়রানি এবং যৌন আক্রমণ বা আক্রমণের চেষ্টার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

মঙ্গলবার পার্লামেন্টে উত্থাপিত রিপোর্টটিতে ১,৭২৩ জন ব্যক্তি ও ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে। এতে দেখা গেছে, নারী পার্লামেন্ট সদস্যদের ৬৩ শতাংশই যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন, আর নারী রাজনৈতিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এর অনুপাত আরো বেশি।

একজন এমপি নাম প্রকাশ না করে বলেছেন, “উচ্চাকাঙ্ক্ষী পুরুষ রাজনীতিবিদরা এগুলোকে কোন ঘটনা বলেই মনে করে না। নারীদের উঠিয়ে নেয়া, ঠোঁটে চুমু দেয়া, স্পর্শ করা, নিতম্বে চাপড় দেয়া, নারীর চেহারা নিয়ে মন্তব্য করা – এগুলো সাধারণ ঘটনা।” “আমি যেটা বলতে চাই যে, সংস্কৃতি এটাকে অনুমোদন করেছে, উৎসাহিত করেছে।”- বলেন তিনি।

জেংকিন্স বলেন, এসব ঘটনার শিকার এবং তাদের সহযোগীদের জন্য এসব ছিল মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা এবং তা পার্লামেন্টের কাজের মান ক্ষুণ্ণ করেছে, দেশেরও ক্ষতি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এই রিপোর্টে উদঘাটিত তথ্যকে “চরম দুঃখজনক” বলে আখ্যায়িত করেছেন। তার বিরুদ্ধে এর আগে অভিযোগ উঠেছিল যে নারী সংক্রান্ত এসব ইস্যুর ব্যাপারে মি. মরিসন ”বধির”।

রিপোর্টে নেতৃত্বের মান উন্নত করা, নারী-পুরুষের অনুপাত বাড়ানো এবং মদ্যপানের প্রবণতা কমানোর সুপারিশ করা হয়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের প্রথম দিকে একজন মন্ত্রীর দপ্তরের সাবেক কর্মচারী ব্রিটানি হিগিনস অভিযোগ করেন, একজন সহকর্মী তাকে ধর্ষণ করেছেন। ওই ঘটনার পর রাজধানী ক্যানবেরায় এ ধরনের বহু অসদাচরণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতে থাকে।

ওই ঘটনার পর একটি অনুসন্ধান চলে। এরপর ‘সেট দ্য স্ট্যান্ডার্ড’ নামের একটি রিপোর্ট উপস্থাপন করা হলো।

রিপোর্টটির রচয়িতা এবং যৌন বৈষম্য সংক্রান্ত কমিশনার কেট জেংকিন্স বলেন, এসব ঘটনার শিকারদের মধ্যে নারীর সংখ্যা অনেক বেশি।

প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়, কর্মচারীদের ৫১ শতাংশেরই কোনো না কোনো ধরনের নিগ্রহ, যৌন হয়রানি এবং যৌন আক্রমণ বা আক্রমণের চেষ্টার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

রিপোর্টে দেখা যায়, নারী পার্লামেন্ট সদস্যদের ৩৩ শতাংশই যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। আর নারী রাজনৈতিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এর অনুপাত আরও বেশি।

একজন এমপি নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘উচ্চাকাঙ্ক্ষী পুরুষ রাজনীতিবিদরা এগুলোকে কোনো ঘটনা বলেই মনে করে না। নারীদের উঠিয়ে নেয়া, ঠোঁটে চুমু দেয়া, স্পর্শ করা, নিতম্বে চাপড় দেয়া, নারীর চেহারা নিয়ে মন্তব্য করা—এগুলো সাধারণ ঘটনা।’

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের সাবেক একজন কর্মী ব্রিটনি হিগিন্স অভিযোগ তোলার পর বিষয়টি সামনে আসে। ব্রিটনির অভিযোগ, একজন মন্ত্রীর কার্যালয়ে সহকর্মীর দ্বারা তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

এ বছরের শুরুর দিকে তিনি অভিযোগ তোলার পর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। লিঙ্গবৈষম্য বিষয়ক কর্মকর্তা কেট জেনকিন্স এ ব্যাপারে বলেছেন, ভুক্তভোগীরা বেশির ভাগই নারী।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের ৫১ শতাংশ কর্মী কারো না কারো দ্বারা হয়রানি, যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন কিংবা যৌন নিপীড়নের মুখে পড়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এ ধরনের ঘটনাকে ভয়ংকর হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি যেটা বলতে চাই, সংস্কৃতি এটাকে অনুমোদন করেছে, উৎসাহিত করেছে।’

৭ মাসের তদন্তের পর মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট এবং অন্যান্য সরকারি বিভাগে কর্মীরে যৌন হয়রানির এই চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

‘সেট দ্য স্টান্ডার্ড’ নামক এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫১ শতাংশ কর্মী কোনও না কোনও ভাবে হয়রানি, যৌন হয়রানি কিংবা যৌন নিপীড়ন প্রচেষ্টার শিকার হয়েছেন।

এক হাজার ৭২৩ জন এবং ৩৩টি সংস্থার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা প্রতিবেদনটি মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টে উপস্থাপন করা হয়।

এতে দেখা গেছে, ৬৩ শতাংশ নারী পার্লামেন্ট কর্মীর যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। রাজনৈতিক কর্মীদের বেলায় এই হার আরও বেশি।

প্রতিবেদনে বেরিয়ে আসা তথ্য ভয়ঙ্কর বলে বর্ণনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।

পার্লামেন্টে নারীদের এমন বিরূপ পরিস্থিতির শিকার হওয়ার বিষয়টি আমলে না নেওয়ার জন্য মরিসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আগে থেকেই।

যৌন হয়রানি কমাতে প্রতিবেদনে বেশ কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে। এসব সুপারিশের মধ্যে রয়েছে নেতৃত্ব এবং নারী-পুরুষের ভারসাম্য পরিস্থিতি উন্নত করা এবং অ্যালকোহলের ব্যবহার কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার মানবাধিকার কমিশনের কমিশনার এবং প্রতিবেদনের লেখিকা কেট জেনকিনস রাজনৈতিক অঙ্গনের এমপিদেরকে এই সুপারিশগুলো পুরোপুরিভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, কর্মচারীদের ৫১ শতাংশেরই কোন না কোন ধরনের নিগ্রহ, যৌন হয়রানি এবং যৌন আক্রমণ বা আক্রমণের চেষ্টার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

মঙ্গলবার পার্লামেন্টে উত্থাপিত রিপোর্টটিতে ১,৭২৩ জন ব্যক্তি ও ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে।

এতে দেখা গেছে, নারী পার্লামেন্ট সদস্যদের ৬৩ শতাংশই যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন, আর নারী রাজনৈতিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এর অনুপাত আরো বেশি।

একজন এমপি নাম প্রকাশ না করে বলেছেন, “উচ্চাকাঙ্ক্ষী পুরুষ রাজনীতিবিদরা এগুলোকে কোন ঘটনা বলেই মনে করে না। নারীদের উঠিয়ে নেয়া, ঠোঁটে চুমু দেয়া, স্পর্শ করা, নিতম্বে চাপড় দেয়া, নারীর চেহারা নিয়ে মন্তব্য করা – এগুলো সাধারণ ঘটনা।”

“আমি যেটা বলতে চাই যে, সংস্কৃতি এটাকে অনুমোদন করেছে, উৎসাহিত করেছে।”- বলেন তিনি।

মিজ জেংকিন্স বলেন, এসব ঘটনার শিকার এবং তাদের সহযোগীদের জন্য এসব ছিল মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা এবং তা পার্লামেন্টের কাজের মান ক্ষুণ্ণ করেছে, দেশেরও ক্ষতি হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এই রিপোর্টে উদঘাটিত তথ্যকে “চরম দুঃখজনক” বলে আখ্যায়িত করেছেন। তার বিরুদ্ধে এর আগে অভিযোগ উঠেছিল যে নারী সংক্রান্ত এসব ইস্যুর ব্যাপারে মি. মরিসন ”বধির”।

রিপোর্টে নেতৃত্বের মান উন্নত করা, নারী-পুরুষের অনুপাত বাড়ানো এবং মদ্যপানের প্রবণতা কমানোর সুপারিশ করা হয়।

০ মন্তব্য
0

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন